শনিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

কে গো তুমি?~
অভিজিত্‍ শেঠ


রক্তের দাগ লেগে আছে,
ভিজে গেছে সাদা পাঞ্জাবী।
বুকের ব্যাথাটা বেড়েছে,
নিভেছে রঙীন বাতি।
চশমার কাঁচ বড়ো ঘোলাটে লাগে,
অবরোধ হয়েছে দৃষ্টি।
পুড়ে শেষ হয় অবশেষে,
কিছু জ্বলন্ত দেশলাই কাঠি।
কাঁচের বাসন পড়ে থাকে,
অবহেলায় আজ ভেঙেছে বাটি।
মন আজ কেঁদে বলে,
কে গো তুমি?

শুক্রবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

আজও অশ্রু ঝরে~
অভিজিত্‍ শেঠ

কিছু ভোর আসে,
স্বপ্ন যায় ভেঙে।
কিছু সুর ভোরের গানে,
বড়ো ব্যথা দেয় অন্তরে,
তপ্ত বালুকা,রোদের ঝিকিমিকি।
হাজারও রক্ত ঝরে,চোখে নামে অশ্রু।
ইতিহাসের চরিত্র সব জীবন্ত হয়ে ওঠে।
আজও কাঁদে অবুঝ বালক,খিদের জ্বালাতে।
আজও অশ্রু ঝরে~
অভিজিত্‍ শেঠ

কিছু ভোর আসে,
স্বপ্ন যায় ভেঙে।
কিছু সুর ভোরের গানে,
বড়ো ব্যথা দেয় অন্তরে,
তপ্ত বালুকা,রোদের ঝিকিমিকি।
হাজারও রক্ত ঝরে,চোখে নামে অশ্রু।
ইতিহাসের চরিত্র সব জীবন্ত হয়ে ওঠে।
আজও কাঁদে অবুঝ বালক,খিদের জ্বালাতে।
আজও অশ্রু ঝরে~
অভিজিত্‍ শেঠ

কিছু ভোর আসে,
স্বপ্ন যায় ভেঙে।
কিছু সুর ভোরের গানে,
বড়ো ব্যথা দেয় অন্তরে,
তপ্ত বালুকা,রোদের ঝিকিমিকি।
হাজারও রক্ত ঝরে,চোখে নামে অশ্রু।
ইতিহাসের চরিত্র সব জীবন্ত হয়ে ওঠে।
আজও কাঁদে অবুঝ বালক,খিদের জ্বালাতে।

বুধবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০১৩

রাস্তা~
অভিজিত্‍ শেঠ

চেনা অচেনা অনেক মুখ,
মানুষের ঢল।
বিচিত্র কিছু শব্দ কানে আসে,
উত্তেজনায় বেসামাল।
গড্ডালিকা প্রবাহ বয়ে চলে।
কানে বাজে অজস্র সুর।
গাড়ির রেসে মানুষ ম্লান।
যন্ত্র নিয়েছে মানুষের স্থান।
পা এ হাঁটতে চায় ক'জন?

মঙ্গলবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০১৩

অনুপমা~
অভিজিত্‍

অনুপমা গেছে চলে,মন ভেঙে।
সুরগুলো আজ তাই অঝোরে কাঁদে,তার তরে।
ক্যানভাসে আঁকা সমস্ত ছবি কালো হয়ে গেছে।
রক্তাক্ত চোখদুটো থেকে অশ্রু ঝরে।
চুরি হয়েছে সমস্ত রং।
চারিধারে আলোর সম্ভার,জীবনে আমার কেবলই আঁধার।
বাঁশি হারিয়েছি আজে।
কিছু গোপন ছায়ায়,হৃদয়ের বিভীষিকায়
তারে মনে পড়ে।
জীবাশ্ম হয়েছে মনের সাধ,আমি আজ অবসাদ
মন আজ কাঁদে।
কেউ যদি পারো,ডেকে দিও তারে।